মেয়ে পটানোর হাসির মেসেজ সাধারণত মজার, দুষ্টুমি ভরা এবং আকর্ষণীয় কথার মাধ্যমে কাউকে হাসানোর উদ্দেশ্যে লেখা হয়। এসব মেসেজে হালকা রোমান্টিক অনুভূতি ও মজার ছন্দ থাকে, যা সহজেই মানুষের মন ভালো করে দেয়।
অনেকে বন্ধুত্ব বাড়ানো বা প্রিয় মানুষকে ইমপ্রেস করার জন্য এমন হাসির মেসেজ ব্যবহার করে। তবে মজার কথা বলার সময় সম্মান ও ভদ্রতা বজায় রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুন্দর ও ভদ্র হাসির মেসেজ সম্পর্ককে আরও মিষ্টি ও আনন্দময় করে তুলতে পারে।
মেয়ে পটানোর হাসির মেসেজ
তুমি কি ফিজিক্সের কোনো সূত্র? তোমাকে দেখলেই আমার মনের সব ব্যালেন্স কেমন যেন বিগড়ে যায়, কোনো লজিক কাজ করে না!
আমার ফোনে চার্জ না থাকলেও চলে, কিন্তু তোমার ওই মিষ্টি হাসির রিচার্জ ছাড়া আমার পুরো দিনটাই একদম আনলক হয় না।
আজকাল গুগলেও সার্চ করে তোমার মতো সুন্দর মনের মানুষ পাওয়া যায় না। তুমি কি কোনো স্পেশাল এডিশন নাকি ক্রাশের রানি?
শোনো, তোমার বিরুদ্ধে একটা সিরিয়াস অভিযোগ আছে। তুমি এত কিউট কেন? আমার হার্টবিট তো তোমার হাসির তালে নাচতে শুরু করেছে।
আচ্ছা, তোমার আম্মু কি অনেক মিষ্টি পছন্দ করেন? তা না হলে তোমার মতো এত কিউট আর মিষ্টি একটা মেয়ে কীভাবে হলো?
ডাক্তার বলেছে আমার শরীরে ভিটামিনের অভাব। আমি নিশ্চিত, তোমার সাথে দিনে পাঁচ মিনিট কথা বললেই এই রোগ পুরো সেরে যাবে।
ফেসবুকে কত মানুষ স্ক্রোল করি, কিন্তু তোমার আইডিতে এসে আমার বুড়ো আঙুলটা কেন যেন এক্কেবারে লক হয়ে বসে থাকে!
তোমার হাসিটা যেন একদম ফ্রেশ কফি! সকাল সকাল ওই হাসির একটা ছবি না দেখলে আমার ঘুমটাই ঠিকঠাক ভাঙতে চায় না।
তুমি কি কোনো জাদুকর? তুমি সামনে আসলেই আসেপাশের সব মানুষ কেমন যেন ভ্যানিশ হয়ে যায়, শুধু তোমাকেই চোখে পড়ে।
আমার মনটা খুব ভদ্র ছিল, কিন্তু তোমার ওই মায়াবী চোখের দিকে তাকিয়ে সে আজকাল একদম আমার কথা শোনাই বন্ধ করে দিয়েছে।
আচ্ছা তোমার কি ডানা আছে? না মানে, পরিদের তো ডানা থাকে শুনেছি, তুমি আবার ডানা ছাড়া পৃথিবীতে চলে আসোনি তো?
আইনস্টাইন ইকুয়েশন দিয়ে অনেক কিছু বুঝিয়েছেন, কিন্তু তোমার এই মায়াবী হাসির পেছনে কী রহস্য তা আজও কেউ আবিস্কার করতে পারেনি!
আচ্ছা, একটু হাসো তো দেখি? বাজারে চিনির দাম খুব বেড়ে গেছে, তোমার হাসি দিয়ে আমার বিকালের চা-টা মিষ্টি করে নিই।
আমি কোনো জ্যোতিষী নই, কিন্তু তোমার চোখের দিকে তাকিয়ে খুব সহজেই বলে দিতে পারি তোমার ভবিষ্যতে আমিই আছি!
আজকাল নীল আকাশে মেঘ দেখলেই মনে হয়, তুমি বুঝি আবার আমার ওপর রাগ করে মিষ্টি মুখটা কালো করে বসে আছ।
তোমার সাথে কথা বললে মনে হয় ফোনের নেটওয়ার্ক পাঁচ তলা মাটির নিচে থাকলেও একদম ফুল স্পিডে কাজ করা শুরু করে দেয়!
আমার সাধারণ ডায়েরিতে তুমি হলে একদম রঙিন প্রচ্ছদ। তোমাকে ছাড়া আমার জীবনের গল্পটাই কেমন যেন একদম ম্যাড়ম্যাড়ে আর অসম্পূর্ণ।
তুমি কি কোনো দামী চকলেট? তোমাকে দেখলেই আমার মনটা কেমন যেন গলে আইসক্রিম হয়ে যায়, কিছুতেই শক্ত থাকতে পারি না।
তোমার ওই মায়াবী চোখের দিকে তাকালে ট্রাফিক সিগনালের লাল বাতি দেখলেও আমার আর ব্রেক চাপতে একদম ইচ্ছে করে না!
শোনো, বেশি মিষ্টি খাওয়া নাকি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। তাই বলছি, আমার সামনে এত মিষ্টি করে হুটহাট হেসে ফেলো না প্লিজ!
আমার মনের মেমোরি কার্ডটা খুব ছোট ছিল, কিন্তু তোমার ওই একটা স্মাইল এসে পুরো স্পেসটাই এক নিমেষে পার্মানেন্টলি ফুল করে দিল।
মাঝে মাঝে ভাবি নাসা-তে একটা মেইল করব। পৃথিবীতে এত বড় একটা ক্রাশ ঘুরে বেড়াচ্ছে, অথচ তারা এখনো মঙ্গল গ্রহে জীবন খুঁজছে!
তোমার ওই চশমার আড়ালের চোখ দুটো যেন কোনো হাইস্পিড ওয়াইফাই! কানেক্ট না হতেই আমার মনের সব ডেটা নিমেষেই চুরি হয়ে যায়।
আচ্ছা, তোমার এই নিখুঁত হাসির জন্য কি আলাদা কোনো ট্যাক্স দিতে হয়? না দিলে জলদি দাও, পুলিশ যেকোনো সময় ধরে নিয়ে যাবে!
আমার দিনটা খুব সাধারণ কাটছিল, কিন্তু হঠাৎ তোমার ওই ছোট্ট একটা ‘হাই’ মেসেজ এসে পুরো দিনটাই একদম প্রিমিয়াম বানিয়ে দিল।
তুমি কি জানো? তোমার সাথে একটুখানি চ্যাট করলে আমার ফোনের ব্যাটারি কমলেও মনের চার্জ কিন্তু একদম একশো পার্সেন্ট হয়ে যায়!
তোমার রাগটাও দেখতে এত কিউট লাগে যে, মাঝে মাঝে ইচ্ছে করেই একটু দুষ্টুমি করি শুধু তোমার ওই লাল মুখটা দেখার জন্য।
আচ্ছা তোমার আম্মুর কি জামাই পছন্দ? মানে, আমার আম্মুর আবার তোমার মতো একটা মিষ্টি মেয়েকে খুব পছন্দ হয়েছে, তাই জিজ্ঞেস করলাম।
গুগল ম্যাপে অনেক রাস্তা খুঁজেছি, কিন্তু তোমার মনের ভেতর যাওয়ার শর্টকাট রাস্তাটা কোনোভাবেই খুঁজে পাচ্ছি না। একটু লোকেশনটা পাঠাবে?
তুমি কি কোনো মিষ্টি সুর? সারাদিন কানে হেডফোন না গুঁজলেও মনের ভেতর শুধু তোমার গলার আওয়াজটাই কেমন যেন গুনগুন করতে থাকে।
আজকাল চৈত্র মাসের গরমেও তোমার ওই একটা মিষ্টি টেক্সট আসলে মনে হয় যেন এক পশলা ঠাণ্ডা বৃষ্টি এসে মনটা জুড়িয়ে দিল।
আমার মনটা একদম লকডাউন হয়ে ছিল, কিন্তু তুমি এসে এমন একটা ইমোজি দিলে যে পুরো হার্টটাই আনলক হয়ে গেল!
তুমি সামনে দিয়ে হেঁটে গেলে মনে হয় যেন কোনো রাজকন্যা ভুল করে সাধারণ মানুষের এই ব্যস্ত রাস্তায় চলে এসেছে।
আচ্ছা, তোমার কি চোর হওয়ার কোনো অভিজ্ঞতা আছে? না মানে, কাউকেই কিছু না বলে আমার মনটা যেভাবে চুরি করলে, তাই ভাবছি!
তোমার ওই মায়াবী চোখের মণি দুটো যেন ব্ল্যাকহোল! একবার তাকালে আমার সব চিন্তাভাবনা তার ভেতরে কেমন যেন হারিয়ে যায়।
আমি আসলে খুব লাজুক ছেলে, কিন্তু তোমার আইডিটা দেখলেই আমার কিবোর্ডের হাত দুটো কেমন যেন ভীষণ সাহসী হয়ে ওঠে!
তোমার হাসির আওয়াজটা যেন একদম নুপূরের শব্দের মতো মিষ্টি। যখনই শুনি, মনে হয় কোনো সুন্দর গান ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে।
শোনো, তোমার এই সুন্দর প্রোফাইল পিকচারটা ফেসবুক থেকে তাড়াতাড়ি ডিলিট করো, মানুষ তো ক্রাশ খেতে খেতে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে!
আজকাল রাতে চাঁদের দিকে তাকালে আর ভালো লাগে না, মনে হয় চাঁদটা বুঝি তোমার রূপ ধার করে আকাশে বসে আছে।
তুমি কি কোনো দামি পারফিউম? তোমার সাথে দুই মিনিট কথা বললেও আমার মনটা সারাদিন একদম পজিটিভ এনার্জিতে সুবাসিত হয়ে থাকে।
আচ্ছা, তোমার মনটা কি কোনো সিকিউরড লকার? পাসওয়ার্ডটা একটু বলবে? আমার কিছু ভালোবাসা সেখানে খুব যত্ন করে জমা রাখতাম।
তোমার মিষ্টি কথার স্টাইলটা যেন একদম আইসক্রিমের মতো ঠাণ্ডা। রাগ করে কথা বললেও আমার মনটা কেমন যেন শান্ত হয়ে যায়।
আমি কোনো কবি নই, কিন্তু তোমার ওই সুন্দর মুখটা দেখলে ডায়েরির পাতায় এমনি এমনি দু-চার লাইন কবিতা লেখা হয়ে যায়।
আচ্ছা, তোমার ওই মায়াবী হাসির রেসিপিটা একটু বলা যাবে? মন খারাপের দিনে ওটা একটু ট্রাই করে দেখতাম, যদি কাজ হয়!
তোমার সাথে চ্যাট করতে করতে কখন যে রাত পার হয়ে সকাল হয়ে যায়, আমার ফোনের ঘড়িটাও যেন আজকাল বুঝতে পারে না।
তুমি কি কোনো বসন্তের বাতাস? তুমি পাতায় মেসেজ দিলে আমার এই শুকনো মনেও কেমন যেন নতুন ফুল ফুটতে শুরু করে।
শোনো, তোমার চোখ দুটো এত সুন্দর কেন? ওদিকে তাকালে আমি নিজের নামটাই ভুলে যাই, অন্য কথা তো অনেক দূরের ব্যাপার!
আমার এই এলোমেলো জীবনে তুমি হলে একদম পারফেক্ট একটা গল্প। যার প্রতিটি পাতায় শুধু তোমার নামটাই সুন্দর করে লেখা আছে।
আচ্ছা, তুমি কি কখনো ফুচকা খেয়েছ? না খেলে চলো আজ একসাথে খাই, ফুচকার টক আর তোমার মিষ্টি হাসি দারুণ জমবে!
তোমার নামের নোটিফিকেশনটা যখন ফোনের স্ক্রিনে ভেসে ওঠে, সত্যি বলছি, আমার ঠোঁটের কোণে এমনিতেই একটা বড় হাসি চলে আসে।
মেয়েদের হাসানোর মেসেজ
মেয়েদের হাসানোর মেসেজ হলো এমন মজার ও হালকা কথাবার্তা যা তাদের মন ভালো করে এবং হাসি ফোটায়। এতে সাধারণত দুষ্টুমি, রসিকতা ও সুন্দর শব্দ ব্যবহার করা হয়। এসব মেসেজ বন্ধুত্ব ও সম্পর্ককে আরও আনন্দময় করে তোলে এবং যোগাযোগকে সহজ ও স্বাভাবিক রাখে। তবে সবসময় সম্মান বজায় রাখা জরুরি।
তুমি কি কোনো এনার্জি ড্রিংক? তোমাকে দেখলে আমার অলস মনটাও মনে হয় যেন একদম অলিম্পিকে দৌড়ানোর জন্য রেডি হয়ে গেছে!
আমার ফোনের জিপিএস একদম ঠিক আছে, তাও জানি না কেন প্রতিবার সার্চ দিলে তোমার আইডির সামনে এসেই আটকে যায়।
আচ্ছা, তোমার আম্মু কি ছোটবেলায় তোমাকে অনেক বেশি হরলিক্স খাইয়েছেন? তা না হলে তুমি এত বেশি কিউট আর লম্বা হলে কীভাবে?
শোনো, তোমার এই সুন্দর হাসির ছবিটা একটু কম পোস্ট করো। ফেসবুকের সার্ভার তো ক্রাশ খেতে খেতে অলরেডি স্লো হয়ে গেছে!
আজকাল ম্যাথ করতে বসলে সব সূত্রের জায়গায় শুধু তোমার নামটাই মনে আসে। তুমি কি আমার জীবনের কোনো জটিল ইকুয়েশন?
ডাক্তার বলেছে আমার নাকি মিষ্টি খাওয়া একদম নিষেধ। এখন তোমার সাথে কথা বলা বন্ধ করব নাকি ডাক্তারের চেম্বার চেঞ্জ করব?
তুমি কি কোনো দামি বিউটি সোপের অ্যাডভার্টাইজমেন্ট? তোমাকে দেখলেই মনে হয় স্ক্রিনের ওপাশ থেকে একটা ফ্রেশ সুবাস ভেসে আসছে।
আচ্ছা, তোমার কি ফায়ার সার্ভিসে কোনো চেনা লোক আছে? তোমার ওই হট লুকে আমার মনে যে আগুন লেগেছে, তা নেভানো দরকার!
ফেসবুকে এত মানুষ ট্রল বানায়, কিন্তু আমার মনটা তো শুধু তোমার ওই একটা ছোট্ট স্মাইলের ওপর ক্রাশ খেয়ে বসে আছে।
শোনো, বেশি হাসলে নাকি আয়ু বাড়ে। তাই বলছি, আমার এই ফানি মেসেজগুলো পড়ে একটু হাসো, তোমার সাথে অনেকদিন বাঁচতে চাই!
তোমার চোখ দুটো যেন একদম সিসিটিভি ক্যামেরা! আমি যেখানেই যাই না কেন, মনে হয় তুমি সারাক্ষণ আমার ওপর নজর রাখছ।
আচ্ছা, তোমার সাথে কথা বলতে কি আলাদা কোনো লাইসেন্স লাগে? না মানে, এত সুন্দর মেয়ের সাথে চ্যাট করতে ভয় ভয় লাগে!
আজকাল ডায়েট করতে গিয়ে ফুচকা খাওয়া ছেড়ে দিয়েছি, কিন্তু তোমার ওই মিষ্টি কথা শোনার লোভটা কিছুতেই ছাড়তে পারছি না।
তুমি কি কোনো স্পেশাল ফিল্টার? কোনো মেকআপ ছাড়াই তোমাকে দেখলে আমার পুরো দুনিয়াটাই কেমন যেন রঙিন আর ব্রাইট মনে হয়।
আমার কিবোর্ডের অটো-কারেক্ট অপশনটাও আজকাল পাজি হয়ে গেছে। আমি লিখতে যাই ‘হাই’, আর ও নিজে নিজেই লিখে দেয় ‘হেই কিউটি’!
তোমার রাগটা দেখলে মনে হয় যেন কোনো বিড়ালছানা মিউ মিউ করে রেগে আছে। ওটা রাগ নাকি কিউটনেস, আমি তো বুঝেই পাই না!
আচ্ছা, তুমি কি কোনো বিজ্ঞাপনের মডেল? তোমাকে দেখলে মনে হয় যেন কোনো নামী ব্র্যান্ডের লাক্সারি প্রোডাক্ট আমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে।
আমার মনটা খুব শান্ত শিষ্ট ছিল, কিন্তু তোমার আইডিটা দেখার পর থেকে সে কেমন যেন একদম ব্যাকবেঞ্চার ছেলেদের মতো বখাটে হয়ে গেছে।
শোনো, নাসা নাকি মঙ্গল গ্রহে পানি খুঁজছে। অথচ তারা জানেই না যে এখানে তোমার এক জোড়া চোখেই পুরো সমুদ্র লুকিয়ে আছে!
তোমার সাথে চ্যাট করতে করতে আমার আঙুল দুটো এত ফাস্ট হয়ে গেছে যে, আমি চাইলে এখন টাইপিং প্রতিযোগিতায় ফার্স্ট হতে পারব।
আচ্ছা, তোমার চুলে কি কোনো আলাদা যাদু আছে? বাতাস ছাড়াই ওগুলো যেভাবে ওড়ে, মনে হয় যেন কোনো সিনেমার শুটিং চলছে!
আজকাল রাতে ঘুমানোর আগে ভেড়ার বদলে তোমার ওই হাসিমুখের ছবি গুনি। সত্যি বলছি, দুই সেকেন্ডের মধ্যে একদম গভীর ঘুম চলে আসে।
তুমি কি কোনো চকোলেট ফ্যাক্টরির মালিক? তোমার প্রতিটি কথার মধ্যে এত সুইটনেস কীভাবে থাকে, আমাকে একটু সিক্রেটটা বলবে?
আমার ফোনের ঘড়িটা মনে হয় তোমার প্রেমে পড়েছে। তোমার সাথে চ্যাট করার সময় ও এত স্পিডে দৌড়ায় যে রাত কখন শেষ হয়ে যায় বুঝতেই পারি না!
আচ্ছা, তোমার আম্মুর কি আমার মতো একটা কিউট জামাই পছন্দ? আমার আম্মু কিন্তু অলরেডি তোমার মতো মিষ্টি একটা বৌমা খুঁজছেন!
শোনো, তোমার বিরুদ্ধে থানায় ডায়েরি করা উচিত। কাউকেই কিছু না বলে এভাবে মানুষের মন চুরি করা কিন্তু দণ্ডনীয় অপরাধ!
তোমার ওই মায়াবী হাসির একটা স্ক্রিনশট নিয়ে রেখেছি। যখনই মন খারাপ থাকে, ওটা দেখলেই মনের সব মেঘ কেটে একদম রোদ উঠে যায়।
তুমি কি কোনো পিৎজার এক্সট্রা চিজ? তোমাকে ছাড়া আমার এই ম্যাড়ম্যাড়ে জীবনটা কেমন যেন একদম টেস্টলেস আর অসম্পূর্ণ মনে হয়।
আজকাল ক্লাসের স্যার যখন জিজ্ঞেস করে ‘মনোযোগ কোথায়?’, আমার মুখ দিয়ে প্রায় তোমার নামটাই বের হয়ে যাচ্ছিল আর কি!
আচ্ছা, একটু তোমার ওই মিষ্টি হাসিটা দেবে? বাজারে চিনির দাম যা বেড়েছে, ভাবছি তোমার হাসি দিয়ে বিকালের চা-টা বানিয়ে নেব।
তুমি কি কোনো হাইস্পিড ওয়াইফাই? তোমার প্রোফাইলের আসেপাশে আসলেই আমার মনের সব সিগন্যাল কেমন যেন একদম ফুল দেখাতে শুরু করে।
শোনো, বেশি কিউট হওয়া কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। আসেপাশের মানুষ তো তোমার কিউটনেস দেখেই হার্ট অ্যাটাক করার অবস্থায় চলে গেছে!
আমার সাধারণ ডায়েরিতে তুমি হলে একদম একটা গোল্ডেন মেডেল। তোমাকে আমার লাইফে পাওয়া মানে লটারি জেতার চেয়েও বড় কিছু।
আচ্ছা, তোমার চোখ দুটো কি কোনো ব্ল্যাকহোল? ওদিকে একবার তাকালে আমার সব লজিক আর চিন্তাভাবনা কেমন যেন উধাও হয়ে যায়!
আজকাল নীল আকাশের দিকে তাকালে আর ভালো লাগে না। মনে হয় আকাশটা বুঝি তোমার সুন্দর মুখের কাছে একদম হার মেনে গেছে।
তুমি সামনে দিয়ে হেঁটে গেলে ট্রাফিক পুলিশও মনে হয় সিগন্যাল দিতে ভুলে যায়। সবাই শুধু হা করে তোমার দিকেই তাকিয়ে থাকে!
আমার মনটা একদম কড়া লকডাউনে ছিল। কিন্তু তুমি এসে এমন একটা মিষ্টি ইমোজি দিলে যে পুরো হার্টটাই এক সেকেন্ডে আনলক হয়ে গেল।
আচ্ছা, তুমি কি কোনো জাদুকর? তুমি লাইনে আসলেই ফেসবুকের বাকি সব ফ্রেন্ড লিস্টের নাম কেমন যেন এক নিমেষে ভ্যানিশ হয়ে যায়!
তোমার ওই চশমার আড়ালের চোখ দুটো যেন একদম হাই-ডেফিনিশন ক্যামেরা। এক ক্লিকেই আমার মনের সব পজিটিভ এনার্জি ক্যাপচার করে নেয়।
শোনো, তোমার এই সুন্দর প্রোফাইল পিকচারটা জলদি লক করো। মানুষ তো ক্রাশ খেতে খেতে অলরেডি হসপিটালে ভর্তি হওয়া শুরু করেছে!
আমি আসলে খুব লাজুক আর ভদ্র ছেলে, কিন্তু তোমার আইডিটা দেখলেই আমার কিবোর্ডের হাত দুটো কেমন যেন ভীষণ সাহসী হয়ে ওঠে।
তোমার গলার আওয়াজটা যেন একদম আইসক্রিমের মেল্ট হওয়া পার্ট! রাগ করে কথা বললেও আমার মনটা কেমন যেন ঠাণ্ডা হয়ে গলে যায়।
আচ্ছা, তোমার ওই সুন্দর হাসির রেসিপিটা একটু শেয়ার করবে? মন খারাপের দিনগুলোতে ওটা একটু ট্রাই করে দেখতাম, যদি মুড ঠিক হয়!
তুমি কি কোনো বসন্তের হাওয়া? এই চৈত্র মাসের গরমেও তোমার একটা মেসেজ আসলে মনে হয় যেন এক পশলা ঠাণ্ডা বৃষ্টি এসে মনটা জুড়িয়ে দিল।
আমার এলোমেলো জীবনের গল্পে তুমি হলে একদম পারফেক্ট একটা ক্লাইম্যাক্স। যা দেখার পর বাকি সব গল্প কেমন যেন একদম ফ্যাকাশে লাগে।
আচ্ছা, চলো আজ দুজনে মিলে ফুচকা খেতে যাই। ফুচকার ঝাল আর তোমার মিষ্টি হাসি—সত্যি বলছি, এর চেয়ে সেরা কম্বিনেশন আর হতেই পারে না।
তোমার নামের নোটিফিকেশনটা যখন ফোনের স্ক্রিনে পপ-আপ করে, সত্যি বলছি, আমার ঠোঁটের কোণে এমনিতেই একটা বড় স্মাইল চলে আসে।
তুমি কি কোনো দামি পারফিউম? তোমার সাথে মাত্র দুই মিনিট চ্যাট করলেও আমার মনটা সারাদিন একদম পজিটিভ ভাইবসে সুবাসিত হয়ে থাকে।
আমার মেমোরি কার্ডটা খুব ছোট ছিল, কিন্তু তোমার ওই একটা কিউট স্মাইল এসে পুরো স্পেসটাই এক নিমেষে পার্মানেন্টলি ফুল করে দিল।
আচ্ছা, তোমার মনটা কি কোনো সিকিউরড ভল্ট? পাসওয়ার্ডটা একটু শেয়ার করো না, আমার কিছু ভালোবাসা সেখানে খুব যত্ন করে জমা রাখতাম!
মেয়েদের হাসানোর মত কিছু কথা
মেয়েদের হাসানোর মতো কিছু কথা হলো সহজ, মজার এবং হালকা দুষ্টুমি ভরা বাক্য যা তাদের মন ভালো করে। এসব কথায় সাধারণত রসিকতা, প্রশংসা ও বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ থাকে। সঠিকভাবে বলা হলে এগুলো হাসির সৃষ্টি করে এবং সম্পর্ককে আরও স্বাভাবিক ও আনন্দময় করে তোলে। তবে সবসময় ভদ্রতা ও সম্মান বজায় রাখা খুবই জরুরি।
আরে শুনো, তোমার আব্বু কি রাগীব আলী নাকি যমুনা গ্রুপের মালিক? না মানে, তোমার এই ড্যাম কেয়ার ভাব আর রাজকীয় এটিটিউড দেখে তো আমার মনে হচ্ছে পুরো ঢাকা শহরটাই তোমার বাপের সম্পত্তি!
ফেসবুকে তো কত মানুষই রিলেশনশিপ স্ট্যাটাস ‘ইটস কমপ্লিকেটেড’ দিয়ে রাখে, কিন্তু তোমার এই মন খারাপের পেছনের আসল রহস্য সমাধান করা মনে হয় আইনস্টাইনের থিওরি অফ রিলেটিভিটির চেয়েও বেশি জটিল!
তোমার আইডির এই মায়াবী প্রোফাইল পিকচারটা দেখে আমার মনে হচ্ছে, নাসা যে এতদিন ধরে মহাবিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর এলিয়েন খুঁজছে, তারা আসলে ভুল করে তোমার এই ফেসবুক প্রোফাইলটাই ভিজিট করতে ভুলে গেছে!
আজকাল কোনো রেস্টুরেন্টে গিয়ে কাচ্চি বিরিয়ানি খেতে বসলেও আমার আর সেই আগের মতো ফিল আসে না। বিরিয়ানির লেগ পিসটাও মনে হয় তোমার ওই মিষ্টি হাসির কম্বিনেশনের কাছে একদম ফিকে হয়ে গেছে!
শুনো, বেশি কিউটনেস নিয়ে রাস্তায় বের হওয়া কিন্তু এক ধরণের সামাজিক অপরাধ। ট্রাফিক পুলিশ তো সিগন্যাল দিতে ভুলে শুধু তোমার দিকেই হা করে তাকিয়ে থাকে, আর ওদিকে মাঝরাস্তায় জ্যাম লেগে যায়!
আমার মনের স্টোরেজটা খুব একটা বড় ছিল না, কিন্তু তুমি এসে এমন এক হাই-ডেফিনিশন স্মাইল দিলে যে, আমার পুরো সিস্টেমের মেমোরি একদম ‘আউট অফ স্পেস’ দেখিয়ে ক্রাশ করে বসে আছে!
আচ্ছা, তোমার এই নিখুঁত চোখের চশমাটা কি কোনো স্পেশাল স্ক্যানার? ওটার দিকে একবার তাকালেই মনে হয় আমার ভেতরের সব গোপন ইমোশন আর চ্যাট হিস্ট্রি এক নিমেষে হ্যাক হয়ে গেছে!
আজকাল চৈত্র মাসের এই প্রচণ্ড গরমেও যখন তোমার একটা ছোট্ট মেসেজের নোটিফিকেশন স্ক্রিনে ভেসে ওঠে, মনে হয় যেন এক বালতি বরফ জল কেউ আমার মাথার ওপর ঢেলে দিল, মনটা একদম চিল হয়ে যায়!
তোমার এই গাল ফুলিয়ে রেগে থাকার স্টাইলটা এত বেশি কিউট যে, আমার মাঝে মাঝে ইচ্ছে করে সারাদিন বসে বসে শুধু তোমার সাথে ঝগড়া করি, যাতে তোমার ওই লাল টমেটোর মতো মুখটা দেখতে পারি!
আমি আসলে খুব শান্ত আর ব্যাকবেঞ্চার টাইপের ভদ্র ছেলে ছিলাম, কিন্তু তোমার এই মায়াবী ইনবক্সের চ্যাটিং উইন্ডোটা আমার কিবোর্ডের হাত দুটোকে কেন যেন একদম প্রো-লেভেলের রোমান্টিক বানিয়ে দিয়েছে!
আচ্ছা, তোমার আম্মু কি ছোটবেলায় তোমাকে চিনির বয়ামে লুকিয়ে রাখতেন? তা না হলে কথার মধ্যে এত বেশি সুইটনেস কীভাবে আসে? তোমার সাথে কথা বলতে বলতে আমার তো অলরেডি সুগার হয়ে যাওয়ার অবস্থা!
শুনো, তোমার এই সুন্দর হাসির ছবিটা জলদি ফেসবুক থেকে আর্কাইভ করো। মানুষ তো অলরেডি তোমার ওই ছবির ওপর লাইক আর লাভ রিঅ্যাক্ট দিতে দিতে ফোনের ডিসপ্লে পর্যন্ত ফাটিয়ে ফেলছে!
আজকাল রাতে ঘুমানোর আগে ভেড়ার পাল গোনার পুরোনো অভ্যাসটা এক্কেবারে বাদ দিয়ে দিয়েছি। এখন শুধু তোমার ওই মায়াবী চোখের দিকে তাকিয়ে থাকার কথা ভাবি, দুই সেকেন্ডে একদম চমৎকার ঘুম চলে আসে!
তুমি কি কোনো লাক্সারি ব্র্যান্ডের দামি পারফিউম? তোমার সাথে মাত্র দুই মিনিট চ্যাট করলেই আমার এই সাদামাটা মনটা সারাদিন একদম পজিটিভ আর রিফ্রেশিং এনার্জিতে সুবাসিত হয়ে থাকে!
আমার এই এলোমেলো আর নিয়মহীন জীবনের গল্পে তুমি হলে একদম পারফেক্ট একটা ক্লাইম্যাক্স। তোমাকে এক নজর দেখার পর দুনিয়ার বাকি সব সুন্দর গল্প কেন যেন একদম ম্লান আর বোরিং মনে হয়!
আজকাল ম্যাথ করতে বসলে বা কোনো লজিক্যাল চিন্তা করতে গেলেই সব সূত্রের জায়গায় তোমার নামটাই মাথায় ঘোরে। তুমি কি আমার লাইফের কোনো কঠিন ইকুয়েশন, যার কোনো সমাধান আজ পর্যন্ত বের হয়নি?
ডাক্তার আমাকে কড়া কড়া ভাষায় ওয়ার্নিং দিয়েছে যেন বেশি মিষ্টি খাবার থেকে একদম দূরে থাকি। এখন তুমিই বলো, তোমার সাথে চ্যাট করা পুরোপুরি বন্ধ করে দেব নাকি ডাক্তারের লাইসেন্সটাই বাতিল করাবো?
তুমি সামনে দিয়ে হেঁটে গেলে মনে হয় যেন কোনো রূপকথার রাজকন্যা ভুল করে সাধারণ মানুষের এই ব্যস্ত আর কোলাহলপূর্ণ রাজপথে চলে এসেছে, চারপাশের সবকিছু কেমন যেন এক নিমেষে থমকে যায়!
আচ্ছা, চলো আজ দুজনে মিলে একদম কড়া ঝাল দিয়ে ফুচকা খেতে যাই। ফুচকার সেই চোখের জল আনা ঝাল আর তোমার ওই ঠাণ্ডা মিষ্টি হাসি—এর চেয়ে সেরা কম্বিনেশন এই দুনিয়ায় আর একটাও নেই!
আমার মনটা একদম কড়া লকডাউন আর সিকিউরিটির মধ্যে বন্দি ছিল। কিন্তু তুমি ইনবক্সে এসে এমন একটা কিউট ইমোজি দিলে যে, পুরো হার্টটাই এক সেকেন্ডের মধ্যে একদম পার্মানেন্টলি আনলক হয়ে গেল!
আচ্ছা, তোমার মনটা কি কোনো সুইস ব্যাংকের অতি গোপনীয় ভল্ট? পাসওয়ার্ডটা একটু শেয়ার করবে প্লিজ? আমার এক বুক জমানো ভালোবাসা সেখানে আজীবনের জন্য খুব যত্ন করে ফিক্সড ডিপোজিট করে রাখতাম!
তোমার গলার আওয়াজটা যেন একদম মেল্ট হওয়া চকোলেট আইসক্রিম! তুমি যখন রেগে গিয়েও গম্ভীর গলায় কথা বলো, আমার ভেতরের সব রাগ-ক্ষোভ কেমন যেন এক মুহূর্তেই গলে জল হয়ে যায়!
শুনো, তোমার বিরুদ্ধে খুব জলদি থানায় একটা সিরিয়াস ডায়েরি করতে হবে। কাউকেই কোনো কিছু না জানিয়ে এভাবে প্রকাশ্য দিবালোকে মানুষের আস্ত একটা মন চুরি করা কিন্তু দণ্ডনীয় অপরাধের মধ্যে পড়ে!
ফেসবুকে কত মানুষ কত ধরণের ফানি আর ট্রেন্ডিং ট্রল বানায়, কিন্তু আমার এই অবুঝ মনটা তো কোনো লজিক ছাড়াই শুধু তোমার ওই ছোট্ট একটা প্রোফাইল পিকচারের ওপর আজীবন ক্রাশ খেয়ে বসে আছে!
তোমার ওই মায়াবী চোখের মণি দুটো যেন মহাবিশ্বের কোনো রহস্যময় ব্ল্যাকহোল! ওটার দিকে একবার তাকালে আমার সব বুদ্ধি, লজিক আর সাধারণ জ্ঞান তার ভেতরে কেমন যেন চিরদিনের জন্য হারিয়ে যায়!
আজকাল নীল আকাশের দিকে তাকালেও আমার আর একটুও ভালো লাগে না। মনে হয় আকাশটা বুঝি নিজের নীল রঙ দিয়ে তোমার ওই সুন্দর মায়াবী মুখের কাছে এসে একদম হার মেনে গেছে!
আচ্ছা, তুমি কি কোনো স্পেশাল ফিল্টার নাকি স্ন্যাপচ্যাটের নতুন কোনো আপডেট? কোনো মেকআপ ছাড়াই তোমাকে দেখলে আমার এই পুরো দুনিয়াটাই কেমন যেন একদম রঙিন আর ব্রাইট দেখাতে শুরু করে!
আমার কিবোর্ডের অটো-কারেক্ট অপশনটাও আজকাল তোমার প্রেমে পড়ে পাজি হয়ে গেছে। আমি টাইপ করতে যাই সাধারণ একটা ‘হাই’, আর ও নিজে নিজেই সেটা চেঞ্জ করে লিখে দেয় ‘হেই কিউটি মায়াবতী’!
নাসা নাকি কোটি কোটি টাকা খরচ করে মঙ্গল গ্রহে জীবনের অস্তিত্ব আর পানির খোঁজ করছে। অথচ তারা জানেই না যে এখানে তোমার এক জোড়া চোখের গভীরতাতেই আস্ত একটা নীল সমুদ্র লুকিয়ে আছে!
তোমার সাথে চ্যাট করতে করতে আমার আঙুল দুটো এত বেশি ফাস্ট আর ট্রেইন্ড হয়ে গেছে যে, আমি যদি এখন কোনো টাইপিং কম্পিটিশনে নাম দিই, তবে নির্ঘাত ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ভেঙে ফার্স্ট হয়ে যাবো!
আচ্ছা, তোমার সুন্দর চুলে কি আলাদা কোনো যাদু বা উইন্ড মেশিন লাগানো আছে? বাতাস ছাড়াই ওগুলো যেভাবে স্টাইল করে ওড়ে, মনে হয় যেন আমার সামনে কোনো সিনেমার রোমান্টিক শুটিং চলছে!
তোমার ওই মায়াবী হাসির একটা সুন্দর স্ক্রিনশট আমি মনের গহীন কোণে সেভ করে রেখেছি। যখনই খুব মন খারাপ থাকে, ওটার দিকে ভাবলেই মনের সব মেঘ কেটে একদম ঝলমলে রোদ উঠে যায়!
তুমি কি কোনো ইতালিয়ান পিৎজার এক্সট্রা চিজ? তোমাকে ছাড়া আমার এই সাদামাটা ম্যাড়ম্যাড়ে জীবনটা কেমন যেন একদম টেস্টলেস, সল্টলেস আর এক্কেবারে অসম্পূর্ণ মনে হয়!
আজকাল ক্লাসের স্যার যখন হুট করে পড়া জিজ্ঞেস করে বলে ‘তোমার মনোযোগ কোথায়?’, আমার মুখ দিয়ে স্যারের সামনে তোমার নামটাই বের হতে হতেও কেন যেন জাস্ট লাস্ট সেকেন্ডে আটকে যায়!
আচ্ছা, একটু তোমার ওই মিষ্টি হাসিটা দিয়ে আমাকে হেল্প করবে? বাজারে চিনির দাম দিন দিন যা বাড়ছে, ভাবছি তোমার ওই হাসিটা দিয়েই আমার বিকালের এক কাপ চা চমৎকার মিষ্টি করে নেব!
তুমি কি কোনো হাইস্পিড ফাইভ-জি ওয়াইফাই জোন? তোমার প্রোফাইলের আসেপাশে বা কমেন্ট বক্সে আসলেই আমার মনের সব সিগন্যাল কেমন যেন কোনো বাফারিং ছাড়াই একদম ফুল দেখাতে শুরু করে!
আমার এই সাধারণ জীবনের ডায়েরিতে তুমি হলে একদম একটা গোল্ডেন মেডেলের মতো। তোমাকে আমার লাইফে স্পেশাল কেউ হিসেবে পাওয়া মানে লটারি জেতার চেয়েও হাজার গুণ বড় সৌভাগ্যের ব্যাপার!
শুনো, বেশি কিউট হওয়া কিন্তু স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। আসেপাশের মানুষ তো অলরেডি তোমার এই কিউটনেসের ওভারডোজ সহ্য করতে না পেরে হসপিটালে ভর্তি হওয়ার অবস্থায় চলে গেছে!
আমি আসলে লোকাল বাসেও কখনো সিট নিয়ে মারামারি করি না, এতটাই শান্ত ছেলে! কিন্তু তোমার ওই মনের জানালার পাশের সিটটা পাওয়ার জন্য আমি যে কারোর সাথে যুদ্ধ করতে এক পায়ে রেডি!
তোমার নামের ওই নোটিফিকেশনের টুং করে ওঠা শব্দটা যখন ফোনের স্ক্রিনে পপ-আপ করে, সত্যি বলছি, আমার পুরো ফেসের এক্সপ্রেশন এক নিমেষে চেঞ্জ হয়ে ঠোঁটের কোণে একটা বড় স্মাইল চলে আসে!
আচ্ছা, তোমার কি চোর বা পকেটমার হওয়ার পূর্ব কোনো অভিজ্ঞতা আছে? না মানে, কাউকেই কোনো সুযোগ না দিয়ে আমার এই আস্ত মনটা যেভাবে এক পলকেই পকেটস্থ করলে, তাই একটু জানতে ইচ্ছে হলো!
তোমার ওই চশমার আড়ালের চোখ দুটো যেন একদম হাই-ডেফিনিশন ডিএসএলআর ক্যামেরা। জাস্ট একটা ক্লিকেই আমার মনের ভেতরের সব নেগেটিভ চিন্তা দূর করে পজিটিভ ভাইবস ক্যাপচার করে নেয়!
আমার মনের সাধারণ মেমোরি কার্ডটা খুব ছোট আর জীর্ণ ছিল, কিন্তু তোমার ওই একটা কিউট স্মাইলের ছবি এসে পুরো স্পেসটাই এক নিমেষে পার্মানেন্টলি আর রিমুভ করা ছাড়া ফুল করে দিল!
আজকাল ফেসবুকে স্ক্রোল করতে করতে কত মানুষের আইডিতেই তো যাই, কিন্তু তোমার প্রোফাইলের সামনে আসলেই আমার বুড়ো আঙুলটা কেন যেন এক্কেবারে লক হয়ে স্ক্রিন টাচ করা বন্ধ করে দেয়!
তোমার মিষ্টি কথার ইউনিক স্টাইলটা যেন একদম আইসক্রিমের মেল্ট হওয়া পার্ট। তুমি খুব রাগ করে বা চেঁচিয়ে কথা বললেও আমার মনটা কেমন যেন অদ্ভুতভাবে শান্ত আর ঠাণ্ডা হয়ে গলে যায়!
আচ্ছা, তোমার ওই সুন্দর আর প্রাণখোলা হাসির সিক্রেট রেসিপিটা একটু ইনবক্সে শেয়ার করবে? আমার খুব মন খারাপের দিনগুলোতে ওটা একটু ট্রাই করে দেখতাম, যদি মুডটা এক নিমেষে ঠিক হয়ে যায়!
তুমি কি কোনো চিরসবুজ বসন্তের হাওয়া? এই প্রচণ্ড কাঠফাটা রোদের মধ্যেও তোমার একটা মেসেজ আসলে মনে হয় যেন এক পশলা শান্ত ঠাণ্ডা বৃষ্টি এসে আমার এই তপ্ত মনটা জুড়িয়ে দিল!
আমার এই অগোছালো আর এলোমেলো জীবনের গল্পে তুমি হলে একদম নিখুঁত একটা হ্যাপি এন্ডিং। যা দেখার পর দুনিয়ার বাকি সব বড় বড় প্রেমকাহিনি কেমন যেন একদম ফ্যাকাশে আর মূল্যহীন লাগে!
আচ্ছা, তুমি কি কখনো গরমের দিনে একদম ঠাণ্ডা লেবুর শরবত খেয়েছ? তোমার সাথে কথা বললে আমার ঠিক ওইরকম একটা রিফ্রেশিং আর কলিজা ঠাণ্ডা করা ফিল আসে, যা অন্য কিছুতেই পাওয়া যায় না!
তোমার নামের স্পেলিংটা যখনই আমার ফোনের কিবোর্ডে টাইপ করি, মনে হয় যেন কোনো সুন্দর গানের টিউন নিজে নিজেই ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে। তুমি কি কোনো মানুষ নাকি মন ভালো করার জাদুকরী সুর?
আমাদের দেওয়া মেয়ে পটানোর হাসির মেসেজ আশা করছি আপনাদের পছন্দ হয়েছে।


