খারাপ সময় নিয়ে কোরআনের আয়াত মানুষকে ধৈর্য, আশা ও আল্লাহর প্রতি ভরসা রাখতে শিক্ষা দেয়। জীবনে দুঃখ-কষ্ট, বিপদ কিংবা হতাশা আসা স্বাভাবিক, আর কোরআন আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে কঠিন সময়ের পরই সহজ সময় আসে। আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন এবং যারা তাঁর ওপর ভরসা রাখে, তাদের কখনো একা ছেড়ে দেন না। অনেক মানুষ কঠিন সময়ে কোরআনের আয়াত পড়ে মানসিক শান্তি ও সাহস পায়। এসব আয়াত মানুষের হৃদয়ে আশা জাগায় এবং শেখায় যে প্রতিটি পরীক্ষার পেছনেই আল্লাহর বিশেষ হিকমত ও রহমত রয়েছে।
খারাপ সময় নিয়ে কোরআনের আয়াত
“অতঃপর নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে। নিশ্চয়ই কষ্টের সাথেই স্বস্তি রয়েছে।” (সূরা আল-ইনশিরাহ: ৫-৬)
“তোমরা ধৈর্য ও সালাতের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো।” (সূরা আল-বাকারা: ৪৫)
“নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে আছেন।” (সূরা আল-বাকারা: ১৫৩)
“আল্লাহ কোনো প্রাণীর ওপর তার সাধ্যের অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়ে দেন না।” (সূরা আল-বাকারা: ২৮৬)
“তোমরা নিরাশ হয়ো না এবং দুঃখ করো না, তোমরাই বিজয়ী হবে যদি তোমরা মুমিন হও।” (সূরা আলে ইমরান: ১৩৯)
“হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ধারণ করো এবং ধৈর্যের প্রতিযোগিতায় জয়ী হও।” (সূরা আলে ইমরান: ২০০)
“আর যে আল্লাহকে ভয় করে, আল্লাহ তার জন্য কোনো পথ বের করে দেবেন এবং তাকে ধারণাতীত উৎস থেকে রিজিক দেবেন।” (সূরা আত-তালাক: ২-৩)
“আর যে আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।” (সূরা আত-তালাক: ৩)
“আল্লাহ শীঘ্রই কষ্টের পর সুখ দান করবেন।” (সূরা আত-তালাক: ৭)
“তোমার রব তোমাকে পরিত্যাগ করেননি এবং তোমার ওপর অসন্তুষ্টও হননি।” (সূরা আদ-দুহা: ৩)
“অবশ্যই তোমার জন্য পরবর্তী সময় পূর্ববর্তী সময়ের চেয়ে উত্তম।” (সূরা আদ-দুহা: ৪)
“অচিরেই তোমার রব তোমাকে এতো দেবেন যে তুমি সন্তুষ্ট হয়ে যাবে।” (সূরা আদ-দুহা: ৫)
“বলো, আল্লাহ আমাদের ভাগ্যে যা লিখে রেখেছেন তা ছাড়া অন্য কিছু আমাদের কাছে পৌঁছাবে না।” (সূরা আত-তাওবা: ৫১)
“আর যারা সবর করেছে, আমি অবশ্যই তাদেরকে তাদের শ্রেষ্ঠ কাজের উপযুক্ত প্রতিদান দেব।” (সূরা আন-নাহল: ৯৬)
“তোমার রব ক্ষমাশীল ও দয়াময়।” (সূরা আল-কাহাফ: ৫৮)
“তিনিই দুঃখ দূর করেন এবং দুশ্চিন্তা মোচন করেন।” (সূরা আন-নামল: ৬২)
“আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।” (সূরা আয-যুমার: ৫৩)
“আল্লাহ তোমাদের কষ্ট দূর করতে চান, তোমাদের বিপদে ফেলতে চান না।” (সূরা আল-বাকারা: ১৮৫)
“আর ধৈর্য ধারণ করো, কারণ আল্লাহর প্রতিশ্রুতি সত্য।” (সূরা আর-রুম: ৬০)

“নিশ্চয়ই আমার রব প্রার্থনার শ্রবণকারী।” (সূরা ইব্রাহিম: ৩৯)
“তিনিই সেই সত্তা যিনি মুমিনদের হৃদয়ে প্রশান্তি নাযিল করেন।” (সূরা আল-ফাতহ: ৪)
“আল্লাহর ওপর ভরসা করো, কারণ আল্লাহই কর্মবিধায়ক হিসেবে যথেষ্ট।” (সূরা আল-আহযাব: ৩)
“হে আমার পালনকর্তা! আমার বুক প্রশস্ত করে দিন এবং আমার কাজ সহজ করে দিন।” (সূরা ত্বহা: ২৫-২৬)
“মানুষ যা প্রার্থনা করে তা দিতে আমার আল্লাহই যথেষ্ট।” (সূরা আল-আহযাব: ৪৮)
“আর তারা ষড়যন্ত্র করে এবং আল্লাহও কৌশল করেন; আল্লাহই শ্রেষ্ঠ কৌশলী।” (সূরা আল-আনফাল: ৩০)
“নিশ্চয়ই আমার রব আমার সাথে আছেন, তিনি আমাকে পথ দেখাবেন।” (সূরা আশ-শুয়ারা: ৬২)
“আমি আমার দুঃখ ও অস্থিরতা কেবল আল্লাহর কাছেই নিবেদন করছি।” (সূরা ইউসুফ: ৮৬)
“আল্লাহর রহমত থেকে তো কেবল কাফেররাই নিরাশ হয়।” (সূরা ইউসুফ: ৮৭)
“হে ঈমানদারগণ! সবর করো, সবরকারীদের জন্য সুসংবাদ রয়েছে।” (সূরা আল-বাকারা: ১৫৫)
“আর যখন আমার বান্দারা আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, আমি তো তাদের নিকটেই আছি।” (সূরা আল-বাকারা: ১৮৬)
“যারা ঈমান আনে তাদের অন্তর আল্লাহর জিকিরে প্রশান্ত হয়।” (সূরা আর-রাদ: ২৮)
“জেনে রেখো, আল্লাহর জিকিরেই কলব বা অন্তর প্রশান্তি পায়।” (সূরা আর-রাদ: ২৮)
“আল্লাহর সাহায্য অতি নিকটেই।” (সূরা আল-বাকারা: ২১৪)
“তিনিই তোমাদের সৃষ্টি করেছেন এবং তিনি তোমাদের রক্ষণাবেক্ষণকারী।” (সূরা আল-মু’মিনুন: ৭৮)
“আর তোমার রব তো বিস্মৃত হওয়ার নন।” (সূরা মারইয়াম: ৬৪)
“আমি অবশ্যই তোমাদের পরীক্ষা করব ভয়, ক্ষুধা ও ধন-সম্পদের ক্ষতির মাধ্যমে।” (সূরা আল-বাকারা: ১৫৫)
“আর সুসংবাদ দাও সেই ধৈর্যশীলদের, যারা বিপদে পড়লে বলে, -ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।” (সূরা আল-বাকারা: ১৫৫-১৫৬)
“আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন।” (সূরা আলে ইমরান: ১৪৬)
“মুমিনদের সাহায্য করা আমার দায়িত্ব।” (সূরা আর-রুম: ৪৭)
“তুমি তোমার রবের মহিমা ঘোষণা করো এবং সিজদাকারীদের অন্তর্ভুক্ত হও।” (সূরা আল-হিজর: ৯৮)
আমাদের দেওয়া এই আয়াতগুলো কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি তাই যদি কনো ভুল হয়ে থাকে তাহলে খমার দৃষ্টিতে দেখবেন।